
মনোলোক / আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ১০ দিনে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৫০১টি মামলায় ১৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আজ ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (সড়ক ও যানবাহন) মঞ্জুর হোসেন বলেন গতকাল ৮ এপ্রিল পর্যন্ত গত ১০ দিনে বিশেষ অভিযানে জরিমানা আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের লাইসেন্স না থাকা, হেলমেট ব্যবহার না করা, উচ্চগতি, অতিরিক্ত আরোহী, কাগজপত্রের ঘাটতি ও অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৫০১টি মামলা করা হয়।
এসব মামলায় মোট ১৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৪১৭টি মামলা নিষ্পত্তি করে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি মামলাগুলোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অভিযানের সময় গাড়ী চালানোর জন্য প্রযোজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে না রাখা ও বিআরটিএ কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকায় ১৫০টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে জালানি ও খণিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মোটরযান রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও সেফটি হেলমেট এই তিনটি শর্তের ভিত্তিতে মোটরযানে জালানি নিশ্চিত করতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে জেলা ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
জেলা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে হেলমেট ব্যবহার, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করতে চালকদের প্রতি কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম) বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। মধ্যে ৪১৭টি মামলা নিষ্পত্তি করে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি মামলাগুলোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অভিযানের সময় গাড়ী চালানোর জন্য প্রযোজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে না রাখা ও বিআরটিএ কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকায় ১৫০টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে জালানি ও খণিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মোটরযান রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও সেফটি হেলমেট এই তিনটি শর্তের ভিত্তিতে মোটরযানে জালানি নিশ্চিত করতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে জেলা ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
জেলা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে হেলমেট ব্যবহার, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করতে চালকদের প্রতি কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম) বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
Leave a Reply