

কবি শহিদুল আলম
দেখো চোখ খুলে,
তিনে এক আত্মা,
মনে হয় পরাজিত প্রেতাত্মা,
মাঝে ব্রহ্মা কাশী দুর্গা সারাক্ষণ অশুভ চিন্তা,
ধর্মে ধর্মে জাতিতে জাতিতে,
গ্রোথিত প্রথিত করতে হবে সময়ে বীজাণু,
উঠুক গজানো ডাল পালা,
শুরু হোক কথা বলা,
এখন ধ্বংসে মেতেছে তারা,
সত্য শান্তি শৃঙ্খলা যে আসল উগ্রবাদী নাম তার মোদী,
ধনবাদী ট্রাম্প,
ইহুদি-বাদী নেতানিয়াহু,
হুংকার দিয়ে নেমেছে ধ্বংসে আগ্রহে আজ অনাগ্রহ,
সত্য ঝান্ডা স্বীকারে,
ছিল না এরকম লেখার ইচ্ছা,
চারিদিকে দেখি ধারা বদলের চষ্টা,
কেউ করে প্রতিষ্ঠা হিন্দুত্ববাদ কেউ-জায়ানিষ্ট,
ট্রাম্প একা ধন-বাদী,
আর যারা মুসলিম,
আবদ্ধ সত্য সত্তায়,
তারাই হয়েছে আজ মৌলবাদী,
মাঝখানে শয়তান চক্র দিয়েছে এক যেনচিত্র,
নাম গ্রেটার দেশ ইয়াহুদী,
তারাই নশ্বর পৃথিবীর অধিপতি,
হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী মোদী,
করেছে স্বীকার,
তাদের বাবা-রাষ্ট্র নেতানিয়াহুর দেশ,
বাপ ছেলের সম্পর্কের কুষ্টিতে,
এক রেখা এক নাম,
সবার পিতাই ইব্রাহিম,
পুরাণে তাকে বধের মানসে নিক্ষেপ করেছিল আগুনের গোলায়,
আজ তা মাছের জলাশয়,
এতকাল পরে পেয়েছে সত্যের সন্ধান,
বিজ্ঞ নেতানিয়াহু,
ঘুরিয়েছে জীবন চক্র,
পেয়েছে আসল সত্যের সন্ধান,
দিয়েছে ডাক বন্ধু মোদিকে,
শলা পরামর্শ শেষে,
মোদি মানতে বাধ্য,
তার আদি পিতা ইয়াহুদি,
দিয়েছে চরম ঘা ইরানকে,
যে বড় বাধা,
না হয় মোদি যায় ইসরাইল,
ইরান আক্রমণের দু’দিন আগে,
স্বীকার করে মনেছে সে,
এটা হল বাবার দেশ,
এবার সবাই মিলে,
ইরানকে করবো নিঃশেষ,
অসুবিধা নেই,
আছে বড় ভাই,
ছোট ভাই সাথে,
প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য সে,
অজুহাত দার করাতে এখন চিন্তা ওদের শুধু মৌলবাদ,
এবার কাজ হয়েছে সারা,
বাজা মৃদঙ্গ বাজা,
এখন করব নিঃশেষ,
যে তুলেছ মাথা,
বিপত্তি এখানে,
কাজ করতে গিয়ে পরেছি অস্বস্তিতে দেখে সর্বত্র ইরানের জয়, ধ্যান ধারণার উৎকর্ষে,
যাদের অবস্থান সেরা,
তারা পাচ্ছে একে একে তাদের গর্ব ধ্বংসের নুতন তালিকা,
লজ্জা এমনই হারার আগে যায় হেরে,
বলে মিথ্যে,
সম্প্রচারে অপ-প্রচার,
মুসলিম নিধনই,
আসল লক্ষ্য তাদের।