1. live@www.monolok.net : - : -
  2. info@www.monolok.net : - :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর আশা নভেম্বরের শেষেই

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

পাবনা জেলা | মনোলোক : পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্প সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোসাটম এ তথ্য জানায়। রাশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিষয়ে কথা বলেন সংস্থাটির মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ।
লিখাচেভের ভাষ্য অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সম্ভাব্য সময় ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ পর্যন্ত। তবে এটি এখনো একটি প্রত্যাশিত সময়সীমা, নিশ্চিত উৎপাদন শুরুর তারিখ নয়।
জ্বালানি লোডিংয়ের পর গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রকল্প
রোসাটমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হয়। এটি ইউনিটটির চালুকরণ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্তসরকারি চুক্তির ভিত্তিতে রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।
দ্বিতীয় ইউনিট ও নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা
রোসাটমের প্রত্যাশা, ২০২৭ সালে দ্বিতীয় ইউনিটের চালুকরণ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব নিয়েও বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন লিখাচেভ।
তিনি বলেন, প্রকল্প সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ ধরনের উদ্যোগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।
বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
জ্বালানি চাহিদা পূরণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস বহুমুখীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে উৎপাদন শুরুর প্রকৃত সময় নির্ভর করবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম, নিরাপত্তা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনের অগ্রগতির ওপর।
মনোলোকের পর্যবেক্ষণ: নভেম্বরের শেষ নাগাদ উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে এটি হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে চূড়ান্ত সময়সূচি ও উৎপাদন শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখা উচিত।
মনোলোক | সংবাদ ও সত্যের সন্ধানে
www.monolok.net
ফেসবুক পোস্টের জন্য সংক্ষিপ্ত ক্যাপশন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট