
মনোলোক : বেড়ালের ভাগ্যে কি সত্যিই শিকে ছিঁড়ল। ব্যাপারটা তো তেমনই। একটি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার পদে বহাল হল এক বেড়াল।
একটি প্রবাদ রয়েছে বেড়ালের ভাগ্যে শিকেয় ছেঁড়া। সে প্রবাদের প্রতিটি কথা যেন বাস্তব হয়ে সামনে এল। কারণ একটি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার পদের দায়িত্ব পেল একটি বেড়াল।
কোনও হাসিঠাট্টা নয়। দস্তুরমত নিয়ম মেনে বেড়ালটিকে স্টেশনমাস্টার পদে নিযুক্ত করা হয়। বেড়ালের গলায় মেডেল ঝুলিয়ে, শংসাপত্র দিয়ে তাকে এই পদে বহাল করা হয়।
যে অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই নিযুক্তি হয় তাও নেহাত ছোটখাটো ছিলনা। ছিল সংবাদমাধ্যমের ভিড়। ছিল ক্যামেরা হাতে ফটো শিকারিদের জমায়েত।
প্রসঙ্গত জাপানের কিশিগাওয়া লাইনে বেড়ালদের খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। বেড়াল ছবি তোলে যাত্রীদের সঙ্গে। যাত্রীদের অভিবাদন জানায়। ২০০৭ সালে এই পরম্পরার সূত্রপাত।
তখন তামা নামে একটি বেড়ালকে প্রথমবারের জন্য স্টেশনমাস্টার করা হয়। তামার পর স্টেশনমাস্টার হয় নিতামা নামে একটি বেড়াল। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল যে এখানে তামা নামটা স্টেশনমাস্টার হওয়া বেড়ালের নামের শেষ অংশ করে দেওয়া হয়। সেভাবে দ্বিতীয় স্টেশনমাস্টার হয় নিতামা।
এভাবেই নতুন বছরের জানুয়ারিতে এবার কিশি স্টেশনের স্টেশনমাস্টার হল ইয়োনতামা নামে একটি বেড়াল। সাড়ম্বরে তাকে বরণ করে নিলেন আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, জাপানের এই এলাকাটি দেশি বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছেই এই বেড়াল স্টেশনমাস্টারদের জন্য। যাদের দেখতে বছরভর এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। ইয়োনতামার এই স্টেশনমাস্টার পদে নিয়োগের খবরটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে।
Leave a Reply