
ইরানের ‘তুরুপের তাস’ হাইপারসনিক ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্র
সেইসঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে কামিকাজি ড্রোন এই যুদ্ধের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে
মনোলোক 🇧🇩 : যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে তাদের সামরিক সরঞ্জাম কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক এবং কুয়েতে অবস্থিত ঘাঁটি ছেড়ে সাইপ্রাসের ঘাঁটিতে স্থানান্তর শুরু করেছে। এজন্য ইরান সাইপ্রাসেও মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল: এই যুদ্ধে কার ক্ষেপণাস্ত্র বেশি সময় টিকবে?
থার্ড: যুক্তরাষ্ট্র মোট প্রায় ৬৫০টি THAAD ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে আগের হামলার ঢেউয়ে প্রায় ১৫০টি ব্যবহার হয়েছে। বাকি আছে আনুমানিক ৪০০ বা তার কম।
স্মার্ট বা স্যাচুরেশন (একসঙ্গে অনেক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ) কৌশল ব্যবহার করলে এগুলো মাত্র ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে।
প্যাট্রিয়ট: একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে প্রায় ১০টি ইন্টারসেপ্টর লাগতে পারে (অর্থাৎ ব্যবহারের হার বেশি)। পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও, তীব্র ব্যবহারে এগুলো প্রায় ৩ সপ্তাহের মতো স্থায়ী হতে পারে।
ইরানের কাছে নাকি ২,০০০ থেকে ৪,০০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। আইআরজিসি দাবি করে এই মজুদ অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার। এবং তারা মাসে প্রায় ৫৫টি করে উৎপাদন করতে পারে। বর্তমান প্রতিদিন যদি ১০০টির বেশি মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় তাহলে, এই মজুত প্রায় এক মাসের মতো টিকতে পারে।
তবে ইরানের একটি বড় ‘তুরুপের তাস’ হলো হাইপারসনিক ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্র। এগুলো বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইসরায়েলের অ্যারো-৩, যুক্তরাষ্ট্রের THAAD বা Patriot) দ্বারা কার্যত প্রতিহত করা যায় না। ইদানিং তার প্রমাণও পাওয়া যাচ্ছে।
যদি ইরান তাদের অস্ত্রভাণ্ডার কৌশলে ব্যবহার করে বিশেষ করে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সংরক্ষণ করে রাখে তাহলে অভিযানের চূড়ান্ত পর্যায়ে বড় ও বেদনাদায়ক আঘাত হানার বাস্তব সম্ভাবনা থাকতে পারে।
সেইসঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে কামিকাজি ড্রোন এই যুদ্ধের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে।
©
Leave a Reply