যুবরাজ এমবিএস বুঝতে পারছেন—ইসরায়েলের বর্তমান নীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সৌদি আরবের নেতৃত্বের ভাবমূর্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও মুসলিম বিশ্বের অবস্থানকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। তাই তিনি ধীরে ধীরে আগের হিসাব বদলাচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে বড় একটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গাজায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর সৌদি আরব আর আগের মতো নীরব থাকতে চায় না। এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

একজন সৌদি চিন্তাবিদ প্রকাশ্যে বলেছেন—ইসরায়েলের সঙ্গে এখন শান্তি বা প্রকৃত সহযোগিতা সম্ভব নয়। এমনকি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইসরায়েল-ঘনিষ্ঠ ভূমিকাকেও সৌদি আরবের জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর মানে কী?

👉 মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি আরব নতুন কূটনৈতিক ভারসাম্য খুঁজছে

👉 আমিরাতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে

👉 তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে

👉 ইরানের সঙ্গেও সরাসরি সংঘাত এড়াতে চাইছে রিয়াদ

👉 যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকলেও সৌদি আরব পুরোপুরি ওয়াশিংটনের লাইনে হাঁটছে না

বেশ জোরালো এবং বর্তমান ভূ-রাজনীতির একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। এমবিএস আসলে ‘ভিশন ২০৩০’ সফল করতে স্থিতিশীলতা চান, কিন্তু সেটা নিজের শর্তে।


🔥 “বদলে যাচ্ছেন এমবিএস: ইসরায়েল ইস্যুতে আমিরাতের পথে হাঁটছে না সৌদি আরব! রিয়াদের নতুন মাস্টারপ্ল্যানে মধ্যপ্রাচ্যে বড় পরিবর্তনের সংকেত।”

“শুধু তেল নয়, এখন প্রভাবের লড়াই! ওয়াশিংটনের চাপ উপেক্ষা করে মুসলিম বিশ্বের ‘কিংমেকার’ হওয়ার পথে মোহাম্মদ বিন সালমান।আবুধাবীর সঙ্গে কি দূরত্ব বাড়ছে রিয়াদের? গাজা ধ্বংসযজ্ঞের পর ইসরায়েল নীতিতে ইউ-টার্ন নিলেন সৌদি যুবরাজ!”“পুরনো হিসাব ছিঁড়ে ফেলছেন এমবিএস! তুরস্ক ও ইরানের সঙ্গে নতুন রসায়ন কি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেবে?”“স্বাধীন পরাশক্তি হওয়ার পথে সৌদি আরব: মার্কিন বলয় ভেঙে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিলেন মোহাম্মদ বিন সালমান!”