
সালমান আগার রান-আউট বিতর্কে এমসিসি বললো ‘আম্পায়ার শতভাগ সঠিক’
সালমান আগার বিতর্কিত রান-আউট ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেট’
আইন বনাম খেলার চেতনা
• কি ঘটেছিল? (ঘটনার বিবরণ) –
• ৩৯তম ওভার: বাংলাদেশের মিরাজের বল • রিজওয়ানের স্ট্রাইক, আগার রান নেওয়ার চেষ্টা • মিরাজ ও আগার সংঘর্ষ
• সংঘর্ষের পর আগার বল সরানোর চেষ্টা
il/ • মিরাজের দ্রুত বল সংগ্রহ ও রান-আউট
সংঘর্ষের মুহূর্ত
NO
আগার অনিচ্ছাকৃত ধাক্কা
মিরাজের দ্রুত
অ্যাকশন
এমসিসির ব্যাখ্যা: সঠিক সিদ্ধান্ত
• আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ১০০% সঠিক
• বল তখনও ‘লাইভ’ ছিল
·
শুধুমাত্র সংঘর্ষে বল ‘ডেড’ হয় না (গুরুতর চোট ছাড়া)
‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আইন:
ফিল্ডারের অনুমতি ছাড়া বল ধরলে আউট
‘খেলার চেতনা’ বা ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেট’ আলোচনা
• আগার মনোভাব: অনিচ্ছাকৃত ধাক্কা, ফিল্ডারকে সাহায্য করার চেষ্টা অধিনায়কের ভূমিকা: মিরাজ চাইলে আপিল তুলে নিতে পারতেন।
·

সালমান আগার বিতর্কিত রান-আউট। ছবি: সংগৃহীত
মনোলোক : ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে একটি নাটকীয় রানআউট ঘিরে ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। ম্যাচের ৩৯তম ওভারে বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বল করছিলেন। স্ট্রাইকার মোহাম্মদ রিজওয়ান বলটি বোলারের দিকে ঠেলে দিলে নন-স্ট্রাইকার সালমান আগা সিঙ্গেলের জন্য দৌড় শুরু করেন। এ সময় মিরাজের সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে এবং তিনি বলটি সরানোর বা ধরার চেষ্টা করেন। সুযোগ বুঝে মিরাজ বল কুড়িয়ে স্টাম্পে আঘাত করে রানআউট সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) জানিয়েছে, উইকেট ভাঙার সময় সালমান আগা ক্রিজের বাইরে ছিলেন এবং বলটি তখনও ‘লাইভ’ ছিল। ফলে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত শতভাগ সঠিক ছিল।
অনেকের দাবি ছিল, ধাক্কার পর বলটি ‘ডেড’ ঘোষণা করা উচিত ছিল। তবে এমসিসি জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংঘর্ষ ঘটলেই বল ডেড হয় না—যতক্ষণ না কোনো গুরুতর চোটের ঘটনা ঘটে। সংস্থাটির মতে, সামান্য ধাক্কাতেই যদি বল ডেড ধরা হতো, তাহলে খেলোয়াড়রা সুবিধা নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষে জড়াতে পারত।
এছাড়া এমসিসি সতর্ক করে বলেছে, ফিল্ডিং দলের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যাটার যদি বল হাতে নেয়, তাহলে তাকে ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আউটও ঘোষণা করা যেতে পারে।
এমসিসি আইনের কথা বললেও ‘খেলার চেতনা’ বা স্পিরিট অফ ক্রিকেটের বিষয়টিও উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আগা ভেবেছিলেন বলটি ডেড হয়ে গেছে এবং তিনি অনিচ্ছাকৃত ধাক্কার পর ফিল্ডারকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। মিরাজ চাইলে অধিনায়ক হিসেবে আপিল তুলে নিতে পারতেন, আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ ছিল।’
সূত্র:
Leave a Reply