নিজস্ব প্রতিবেদক, মনোলোক | ঢাকা
রাজধানীসহ সারাদেশে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩। পহেলা বৈশাখের এই আনন্দঘন পরিবেশকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সংস্থাটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাধারণ মানুষ যেন যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি উদযাপন করতে পারে, সেই লক্ষ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ভোর থেকেই দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, বর্ষবরণের মূল কেন্দ্রবিন্দু রমনা বটমূল ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে:
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবির এই বিশেষ টহল ও অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
ভোরের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের শিল্পীরা নতুন বছরকে বরণ করে নেন। সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের সুর পুরো রমনা এলাকাকে এক সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত করে।
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের শোভাযাত্রায় শক্তি, শান্তি ও গতিশীলতার প্রতীক হিসেবে মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়ার মোটিফগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্রই পুরোনো বছরের জীর্ণতা মুছে নতুন আলোর প্রত্যাশায় উৎসবে মেতেছে মানুষ। বৈশাখী মেলা ও হালখাতার মতো চিরায়ত ঐতিহ্যগুলো আজও অমলিন। পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য মোহনা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মেতেছে নতুনের আবাহনে।
বিজিবির বাড়তি নিরাপত্তা তৎপরতায় উৎসবের আমেজ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: monolok.net
Leave a Reply