breaking.

ঢাকার হোটেলের রান্নাঘর থেকে বলিউডের ‘খিলাড়ি’—অক্ষয় কুমারের অবিশ্বাস্য জীবনযাত্রা

🎬 বিনোদন সংবাদ | মনোলোক :

রূপালি পর্দার ঝলমলে জগতের আড়ালে তারকাদের অনেকের জীবনেই লুকিয়ে থাকে সংগ্রামের গল্প। বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমারের জীবনও যেন ঠিক তেমনই এক সিনেমার গল্প—যার একটি অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

বলিউডে পরিচিত হওয়ার আগে অক্ষয় কুমারের নাম ছিল রাজীব হরি ওম ভাটিয়া। অভিনয়ের জগতে পা রাখার আগে জীবিকার সন্ধানে তিনি বিভিন্ন কাজ করেছেন। সেই সময় তিনি ঢাকাতেও এসেছিলেন এবং মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী-তে রান্নাঘরের কাজে যুক্ত ছিলেন। প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে তিনি সবজি কাটা ও ক্যাটারিং বিভাগের নানা সাধারণ কাজ করতেন।

আজকের কোটি কোটি টাকার তারকা তখন ছিলেন একেবারেই সাধারণ একজন তরুণ।

ঢাকার হোটেলের রান্নাঘর থেকে বলিউডের ‘খিলাড়ি’—অক্ষয় কুমারের অবিশ্বাস্য

জীবনের প্রয়োজনেই করতে হয়েছে নানা ধরনের কাজ। ঢাকার সেই সময়ের পর তিনি মুম্বাইয়ে ফিরে মার্শাল আর্ট শেখাতে শুরু করেন। সেখান থেকেই আসে মডেলিংয়ের সুযোগ—আর ধীরে ধীরে খুলে যায় বলিউডের দরজা।

১৯৯১ সালে ‘সৌগন্ধ’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক এবং ১৯৯২ সালের ‘খিলাড়ি’ সিনেমার সাফল্যের পর তাঁর ক্যারিয়ারে আসে বড় পরিবর্তন। এরপর অ্যাকশন, কমেডি ও নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা।

অক্ষয় কুমারের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন হিসাব পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের কিছু প্রতিবেদনে তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২,৭০০ কোটি ভারতীয় রুপি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অক্ষয় কুমারের গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হয়তো তাঁর সম্পদের পরিমাণ নয়—বরং শূন্য থেকে উঠে আসার সংগ্রাম।

মতিঝিলের একটি হোটেলের রান্নাঘরে সাধারণ কাজ করা সেই তরুণই একদিন হয়ে উঠেছেন বলিউডের ‘খিলাড়ি’।

ঢাকার সেই দিনগুলো তাই অক্ষয় কুমারের জীবনের শুধু একটি পুরোনো অধ্যায় নয়—এটি তাঁর সংগ্রাম, পরিশ্রম এবং স্বপ্নপূরণের গল্পেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মনোলোক | সংবাদ ও সত্যের সন্ধানে…