
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষক-কৃষাণীরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জলাশয়ে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। কেউ পাটের আঁশ ছাড়াচ্ছেন, আবার কেউ সংগৃহীত আঁশ ধুয়ে রোদে শুকানোর জন্য প্রস্তুত করছেন। শুকানো শেষে এসব আঁশ বাজারে বিক্রির জন্য নেওয়া হবে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পাটের ফলন ভালো হয়েছে। তবে সার, শ্রমিক, জমি প্রস্তুত ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। তাই বাজারে পাটের ভালো ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।
কৃষকদের মতে, পাটের দাম ভালো থাকলে আগামী মৌসুমে এ অঞ্চলে পাট চাষ আরও বাড়বে। এতে কৃষকের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উপজেলা কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, পাট বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। উন্নতমানের আঁশ পেতে সঠিক সময়ে পাট কাটা, নির্দিষ্ট সময় জাগ দেওয়া এবং নিয়ম মেনে আঁশ ছাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
ছবিতে: আত্রাইয়ের জলাশয়ে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত কৃষক।
Leave a Reply