
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। ইতোমধ্যে তেহরানের বিভিন্ন সড়কে কালো পোশাক পরিহিত অসংখ্য মানুষকে জাতীয় পতাকা হাতে শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেককে অশ্রুসিক্ত অবস্থায়ও দেখা যায়।
এদিকে খামেনির অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে তার কফিনের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, জাতীয় পতাকায় সজ্জিত একটি কক্ষে কফিনটি রাখা হয়েছে। কফিনের ওপর রাখা হয়েছে পবিত্র ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারের লাল পতাকা, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে আত্মত্যাগ ও শাহাদাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র নগরী মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে খামেনিকে দাফন করা হবে। এর আগে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক ও বিদায় অনুষ্ঠান চলবে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি রাজনীতি বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক নাদের হাশেমি বলেন, কফিনের ওপর রাখা লাল পতাকাটি কারবালার শহীদ ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগের প্রতীক। তার মতে, এই প্রতীকের মাধ্যমে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র খামেনির মৃত্যুকে শাহাদাত ও প্রতিরোধের ধারার অংশ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।
তবে উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত খামেনির মৃত্যু ও দাফনের তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে নিশ্চিত ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা ইরানের সরকারি সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা উচিত।
Leave a Reply