
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি জমিতে অনুমতি ছাড়া নির্মিত এসব স্থাপনায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিছু মানুষ বসবাস করছিলেন। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং অবৈধ দখলমুক্ত রাখার অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি জমি দখল বা বৈধ অনুমতি ছাড়া স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের দেশটির আইন ও নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
Leave a Reply