
নিহত ফারজানা আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে। প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি শহরের মেড্ডা এলাকার একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।
পুলিশ জানায়, ভোরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার ডাইনিং রুমে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফারজানার মরদেহ দেখতে পায়। পরে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তদন্তে পুলিশ
ঘটনাস্থলে পুলিশ লক্ষ্য করে, মৃত্যুর আগে ফারজানা সেজেগুজে ছিলেন। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের বাবা খলিল মিয়া অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে নির্যাতনের পর হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বাসার লোকজন মৃত্যুর বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মনোলোকের পক্ষ থেকে উল্লেখ্য: ফারজানার মৃত্যুর কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের আগে এটিকে হত্যা বা আত্মহত্যা—কোনোটিই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
Leave a Reply