
ফেরিটি কারিবা শহর থেকে প্রত্যন্ত মাছ ধরার এলাকা ও দ্বীপগুলোর দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ফেরিটি ভারসাম্য হারিয়ে পানিতে উল্টে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত ‘মবুয়া নেহান্দা’ ফেরিটির ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ৯০ জন। তবে দুর্ঘটনার সময় এতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। (
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেরিটিতে অন্তত ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু ছিলেন। এর পাশাপাশি টিকিটের আওতার বাইরে থাকা বেশ কিছু শিশুও নৌযানটিতে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল এখন পর্যন্ত বহু মানুষকে জীবিত উদ্ধার করেছে। তবে আরও মানুষ নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষায়িত ডুবুরি দল উল্টে যাওয়া ফেরিটির ভেতরেও তল্লাশি চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজে জিম্বাবুয়ের সেনাবাহিনীর বোট স্কোয়াড্রন, পুলিশ ডুবুরি ইউনিট এবং একটি হেলিকপ্টার অংশ নিচ্ছে। (
দুর্ঘটনার পর ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের বক্তব্য অনুযায়ী, যাত্রার আগে লেকের উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।
জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া দুর্ঘটনার পর রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন এবং উদ্ধার তৎপরতায় প্রয়োজনীয় জাতীয় সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটির নৌপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জোরালো হয়েছে।
লেক কারিবা বিশ্বের আয়তন ও জলধারণ ক্ষমতার দিক থেকে অন্যতম বৃহৎ মানবসৃষ্ট জলাধার। সেখানে অতীতেও নৌযান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ফলে এবারের দুর্ঘটনার পর নৌযান পরিচালনা, যাত্রী ধারণক্ষমতা ও নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি উঠেছে।
মনোলোক | সত্যের সন্ধানে, মানুষের পাশে
www.monolok.net
Leave a Reply