

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান
আইন অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতিচিহ্নের পাশাপাশি ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং ফ্যাসিবাদের উত্থানসংক্রান্ত দলিল ও নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
এ ছাড়া ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গোপন কারাগারে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে জাদুঘরের শাখা জাদুঘর হিসেবে পরিচালনার বিধান রাখা হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট কোনো নিদর্শন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে রয়েছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে জাদুঘরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
আইনের মূল লক্ষ্য—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, স্মৃতিচিহ্ন ও গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা।
Leave a Reply